মুসলমান অ্যাথলেটদের জন্য ‘মোবাইল মসজিদ’

জাপানের রাজধানী টোকিওতে বসবে ২০২০ সালের অলিম্পিক আসর। সে অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী মুসলিম অ্যাথলেট, কর্মকর্তা ও পরিদর্শকদের নামাজ আদায়ের জন্য ভ্রাম্যমান মসজিদ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে অলিম্পিক আয়োজক কর্তৃপক্ষ।এশীয় অঞ্চলে ১৯৬৪ সালের পর দ্বিতীয় বারের মতো ২০২০ সালে অলিম্পিক আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটি। এ আয়োজনে কোনো বিভাগেই যেন ঘাঁটতি না থাকে সে দিকে লক্ষ্য রেখেই মুসলিমদের জন্য ভ্রাম্যমান মসজিদের আয়োজন।বিস্তারিত…

অসহায় শিশু হৃদরোগীদের পাশে মুনতাদা এইড

lh-pic 2

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমইচ)ও ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সহয়োগীতায় হৃদরোগে আক্রান্ত গরীব ও অসহায় শিশু-কিশোরদের বিনামূল্যে জটিল হৃদরোগের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে আন্তর্জাতিক চ্যারিটি বা মানবিক সাহায্য সংস্থা মুনতাদা এইড। মুনতাদা এইডের বিশ্ব বরেণ্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও নার্সদের সমন্ময়ে গঠিত চ্যারিটি টিম ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এ কার্যক্রমের আওতায় মুনতাদা এইড এ পর্যন্ত প্রায় অর্ধ সহগ্র অপারেশন সহ বিশ্বব্যাপি প্রায় ২ সহগ্রাধিক গরীব শিশুকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে হৃদরোগের জটিল অপারেশন ও চিকিৎসা প্রদান করেছে। রোগীর অপারেশন, হাসপাতাল খরচ ও ঔষধ সহ চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল খরচ বহন করেছে মুনতাদা এইড। সেইসাথে তার পরিবারকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে সকল প্রকার সহায়তা প্রদান করছে প্রতিষ্ঠানটি।
মুনতাদা এইডের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ টিম বাংলাদেশী চিকিৎসক ও নার্সদেরকে যথাযথ প্রশিক্ষন ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে স্থানীয়ভাবে বড় ধরনের অপারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করতে সক্ষম করে তুলছে। যাতে ভবিষ্যতে বিদেশ মূখী প্রবণতা কমিয়ে জটিল অপারেশন পরিচালনায় স্থানীয় চিকিৎসক দল সফলতা অর্জন করতে পারে। মুনতাদা এইড ২০১৪ ও ২০১৫ এই দুই বছরে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ নিজ খরচে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের দ্বারা পরিচালনা করেছে ২৫৬ টি হার্টের অপারেশন। আর ২০১৬ সাল থেকে স্থায়ীভাবে ঢাকার ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হসপাতালে গরীব হার্টের শিশুদের বিনা মূল্যে অপারেশন ও নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। বর্তমানে মুনতাদা এইড ও ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে একটি পূর্ণাঙ্গ ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ এগিয়ে চলছে। যেখানে সল্প খরচে গরীব ও অসহায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের নিয়মিত চিকিৎসা সেবা প্রদান জটিল অপারেশন পরিচালনা সহ সকলপ্রকার হার্টের চিকিৎসা প্রদান করা হবে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জন্ম নেয়া শিশুদের মধ্যে এই রোগের হার দ্বিগুনেরও বেশি। ঢাকা সিএমএইচ পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রতি হাজারে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিশু রয়েছে যারা জটিল সব হৃদরোগে আক্রান্ত। আর জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগেরও বেশি শিশু দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত। মায়েদের পরিমিত নিউট্রেশনের অভাব, অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা, পারিবারিক সমস্যা, দুঃশ্চিন্তা ও মানসিক চাপের কারনে জন্ম নেয়া শিশুদের একটা বড় অংশ হার্টের অসুস্থতা নিয়ে প্রতিবছর জন্ম গ্রহন করে। এ রোগের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয় বহুল ও জটিল হওয়ায় এ শিশুদের অধিকাংশই বিনা চিকিৎসায় মারা যায়। ইউনিসেফের হিসেব মতে, পৃথিবীতে প্রতিদিন জন্ম নেয় প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ্য শিশু। যাদের মধ্যে এক শতাংশ বা প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিশু পৃথিবীতে আসে হার্টের জটিল সব সমস্যা নিয়ে। পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোতে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা ও সঠিক পরিচর্যার ব্যবস্থা থাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুরা ফিরে পায় তাদের স্বাভাবিক জীবন। বেড়ে উঠতে পারে আর পাচ‘জন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মত। কিন্তু অনুন্নত দেশগুলোতে এমন সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় প্রতিটি শিশুই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার অভাবে সল্প সময়ের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। মুনতাদা এইড এ সকল মানুষের কল্যানে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
বিশ্বের বৃহৎ মানবিক সাহায্য সংস্থাগুলোর মধ্যে মুনতাদা এইড অন্যতম। বৃটেন ভিত্তিক এ চ্যারিটি প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩২ বছর ধরে আর্তমানবতার সেবায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করে চলেছে। মুনতাদা এইড তাদের দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী প্রজেক্ট লিটিল হার্টের কারনে ২০১৫ সালে লাভ করেছে বৃটেনের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ থার্ড সেক্টর এ্যাওয়ার্ড পদক। মুনতাদা এইড ১৪ টি দেশের ৬০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সম্পন্নয়ে গঠন করেছে উন্নতমানের মেডিক্যাল টিম। এ টিমের একমাত্র উদ্যেশ্য উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গিয়ে অসহায় হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুদেরকে সেবা প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে স্থানীয় সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা। বাংলাদেশে হৃদরোগে আক্রান্ত অথবা হার্টের অসুখ নিয়ে জন্ম নেয়া দরিদ্র পরিবারের শিশুদের কে সেবা দিতে মুনতাদা এইড বদ্ধ পরিকর। এরই ধারাবাহিকতায়, অর্থের অভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে না পারা পরিবারের সদস্যরা অথবা স্থানীয় ডাক্তাররা ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করতে পারেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমইচ) ও ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সাথে প্রাথমিকভাবে যোগাযোগ করলে তারা রোগির অবস্থা ও অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবলম্বনের মাধ্যমে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহন করবেন। জাকাতের টাকা নেয়ার মত রোগীদেরকেই কেবল মাত্র বিনা অর্থ খরচে এ সেবা প্রদান করা হয়। ডাক্তার অথবা হাসপাতাল কতৃপক্ষ তাদের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় করে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে অথবা সামান্য অর্থ দানের মাধ্যমে এ সেবা প্রদান করবেন।
মুনতাদা এইড বিশ্বাস করে, দারিদ্রতা হ্রাস, স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং শিক্ষা লাভের সুযোগ সমাজ উন্নয়নে অত্যাবশ্যক। শিক্ষার মাধ্যমে সমাজ থেকে বিভাজন কমিয়ে সকলকে একত্রিত করার মত আকর্ষনীয় ও ভিন্নধর্মী কর্মপরিকল্পনার কারনে মুনতাদা এইড অন্য সকল চ্যারিটি বা এনজিও থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি বা যুদ্ধ বিগ্রহ যেখানেই মানবতার বিপর্যয় ঘটেছে মুনতাদা এইড জরুরী সাহায্য নিয়ে তাৎক্ষনিকভাবে সেখানে পৌচ্ছেছে, দাড়িয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ অসহায় মানুষের পাশে। সেইসাথে তাদের দক্ষ জনশক্তির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি অঞ্চলের জন্য সুদুর প্রসারী পরিকল্পনা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ জনসাধারনকে সাবলম্বী করে তুলতে সাহায্য করেছে। এছাড়াও আফ্রিকার দরিদ্র পিড়িত দেশগুলোতে শিক্ষা, জরুরী সেবা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহসহ দীর্ঘ দিন যাবৎ মানবিক সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে মুনতাদা এইড। বাংলাদেশী বংশদ্ধুত চ্যারিটি বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার হামিদ হোসাইন আজাদের নেতৃত্বে মুনতাদা এইডের অভিজ্ঞ ও দক্ষ টিম বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোতে বিশেষ করে বাংলাদেশে দারিদ্র বিমোচন, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে কাজ করছে। সেইসাথে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরনার্থীদেরকে যথাযথ প্রশিক্ষন ও সেবা প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। সাধারন মানুষের সহায়তাকে সাথে নিয়ে বিশ্বকে অভাবমুক্ত ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলাই মুনতাদা এইডের মূল উদ্যেশ্য।

মৈত্রী এক্সপ্রেসে বাংলাদেশি নারীকে বিএসএফের শ্লীলতাহানি

কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনে সোমবার এক বাংলাদেশি নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে। ট্রেনটির নিরাপত্তায় নিয়োজিত ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের এক সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন ওই নারী এবং তার স্বামী। খবর বিবিসির।বিস্তারিত…

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে শেখ হাসিনার ৬ প্রস্তাব…

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে নির্যাতন বন্ধ করে তাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া এবং তাদের জাতীয়তা নিয়ে রাষ্ট্রীয় অপপ্রচার বন্ধ করাসহ ছয়টি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের সামনে তুলে ধরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলায় ওআইসিভুক্ত দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ওআইসি কনট্যাক্ট গ্রুপের বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা এই ‘জাতিগত নির্মূল’ অভিযানের অবসান দেখতে চাই। আমাদের মুসলমান ভাইদের এই দুর্দশার অবসান চাই। এই সঙ্কটের সূচনা হয়েছে মিয়ানমারে এবং সেখানেই এর সমাধান হতে হবে।”বিস্তারিত…

মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত: জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান।

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের প্রেক্ষাপটে দেশটির ওপর জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান জেইদ রাদ আল-হুসেইন।

দেশটির রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অত্যাচার নির্যাতন থেকে পালিয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।

যদিও মিয়ানমার সরকার অভিযোগ করে বলছে ‘রোহিঙ্গা জঙ্গিরা’ই এমন সহিংস পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

মি: হুসেইন বলছেন, রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে পুরোপুরি নির্মূল করার লক্ষ্যে কয়েকজন রোহিঙ্গা চরমপন্থীর কার্যক্রমের উদাহরণ একটা অজুহাত হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

এর আগে জাতিসংঘে এক ভাষণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত নেবার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানান।

সূত্রঃ  বিবিসি বাংলা।

অং সান সু চির পুরস্কার ও সম্মানসূচক ডিগ্রী স্থগিত…

 মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির পুরস্কার ও সম্মানসূচক ডিগ্রী স্থগিত করেছে ব্রিটেনের একটি বৃহত্তম বাণিজ্য ইউনিয়ন। সু চি তার রাজনৈতিক জীবনে গৃহবন্দী থাকার সময় ওই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চির বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে তাকে দেওয়া একটি পুরস্কার স্থগিত করেছে ব্রিটেনের একটি বৃহত্তম বাণিজ্য ইউনিয়ন। সু চি তার রাজনৈতিক জীবনে গৃহবন্দী থাকার সময় ওই পুরস্কার পেয়েছিলেন। শুধু ওই একটি সংস্থাই নয়, ব্রিটেনের আরও কয়েকটি সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় সু চিকে দেওয়া তাদের পুরস্কার ও সম্মানসূচক ডিগ্রি স্থগিত করেছে। আবার অনেকেই পর্যালোচনা করছে।বিস্তারিত…

পাকিস্তানে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি: কিসের আলামত?

পাকিস্তানে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ পদত্যাগ করেছেন।

তিনি পাকিস্তানের ১৮তম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর আগের ১৭জনের কেউই তাদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি।

অনেকেই মনে করছেন সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবার একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যেটা গণতন্ত্রের জন্য সুফল বয়ে আনবে।

অন্যান্যরা বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন।

পাকিস্তানে রাজনৈতিক কূটকৌশলের মাধ্যমে দেশের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী যেভাবে বেসামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে আসছে, তারা এই ঘটনাকে সেই দীর্ঘ ইতিহাসের ধারাবাহিকতা হিসেবেই দেখছেন।বিস্তারিত…

সৌদিতে মিসাইল ভূপাতিত: রিয়াদ কর্তৃপক্ষ বলছে লক্ষ্য ছিল মক্কা, তবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা বলছে টার্গেট ছিল তাইফ সামরিক ঘাঁটি…

সৌদি আরবের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল তারা মক্কা নগরীর ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ভূপাতিত করেছে।

সৌদি বাহিনী বলছে, মিসাইলটি পবিত্র শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তবে হুতিরা জানিয়েছে, মিসাইলটি মক্কার কাছে তায়েফ শহরে অবস্থিত সৌদি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।
বিস্তারিত…

‘নেহরু ছাড়া ভারতে অন্য কোনো চিন্তাবিদ নেই না কি?’

ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দ তার প্রথম ভাষণে কেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর নাম উল্লেখ করেননি, সেই প্রশ্নে আজ পার্লামেন্টে তুমুল বিতন্ডা হয়েছে।

বিরোধী কংগ্রেসের অভিযোগ, বর্তমান সরকার শুধু নেহরুর আদর্শ ও দর্শন থেকে সরেই আসছে না – আধুনিক ভারতের এই রূপকারকে পদে পদে অপমানও করছে।

জবাবে বিজেপি বলছে, নেহরু ছাড়াও ভারতে আরো অনেক রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ছিলেন যাদের ভাবনা এতদিন গুরুত্ব পায়নি – তারা শুধু সেই ত্রুটিটাই শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করছে।বিস্তারিত…

কেন কাতার ও উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরোধ নিরসনে উদ্যোগী তুরস্ক?

কাতার এবং সৌদি আরবসহ চারটি আরব দেশের মধ্যকার বিরোধ মেটাতে গাল্ফ দেশগুলোতে দুই দিনের সফর শুরু করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

সৌদি আরব সফরের আগে মি. এরদোয়ান এই বিরোধ নিরসনে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কুয়েতে যাবেন। এরপর তিনি যাবেন কাতার।

জুনে ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থন দেয়া’ এবং ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার অভিযোগে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিসর।বিস্তারিত…

শিরোনাম