উন্নয়নের পথে হাঁটছে চট্টগ্রাম

আশাতীত উন্নয়নের পথে হাঁটছে চট্টগ্রাম। সরকারি-বেসরকারি এবং বিদেশি বিনিয়োগে গড়ে তোলা হচ্ছে ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলীর তলদেশে টানেল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র। বিদ্যুৎ উন্নয়ন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। প্রায় আশি হাজার কোটি টাকার এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে চট্টগ্রাম। পাশাপাশি শিল্পায়ন, পর্যটন, আবাসন এবং ব্যবসাবাণিজ্যে আসবে ব্যাপক গতি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যোগাযোগ এবং জ্বালানিখাতের ব্যাপক উন্নয়নই দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ক্ষেত্রে চট্টগ্রামে গৃহীত প্রকল্পগুলো বড় ধরনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে।

চট্টগ্রাম মহানগরীসহ সন্নিহিত এলাকার যান চলাচলের ক্ষেত্রে প্রত্যাশিত গতি আনার জন্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) নগরীর অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ফিডার রোড উন্নয়নের পাশাপাশি ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে। ইতিমধ্যে সিডিএ কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয় করে নির্মাণ করেছে একাধিক ফ্লাইওভার।

বিস্তারিত…

চট্টগ্রামে কোটি টাকার হেরোইন জব্দ

চট্টগ্রামে বন্দর এলাকা থেকে কোটি টাকা মূল্যের এক কেজি হেরোইন জব্দ করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে বন্দর এলাকার পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা র‌্যাবের জব্দ করা ট্রাকের চালকের আসনের নিচ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় এ হেরোইন জব্দ করা হয়।বিস্তারিত…

অ্যামোনিয়া গ্যাস কতটা ভয়ঙ্কর?

বাংলাদেশের চট্টগ্রামের আনোয়ারায় একটি একটি সার কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় মানুষের মাঝে এখনো আতঙ্ক রয়েছে।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ,অ্যামোনিয়া গ্যাস নিয়ে আতঙ্কের কোন কারণ নেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড: তাপস দেবনাথ বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বাতাসে অ্যামোনিয়া গ্যাসের অস্তিত্ব দীর্ঘস্থায়ী হয়না।

মি: দেবনাথ বলেন কোন ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে যদি খুব বেশি পরিমাণে অ্যামোনিয়া গ্যাস শরীরের ভেতরে প্রবেশ না করে তাহলে জীবন নিয়ে কোন ঝুঁকি থাকেনা।

অ্যামোনিয়া গ্যাস বাতাসে কতক্ষণ ভাসবে সেটি নীর্ভর করে জলীয় বাস্পের পরিমাণের উপর। বাতাসে জলীয় বাস্পের পরিমাণ বেশি হলে অ্যামোনিয়া গ্যাস দ্রুত মাটিতে নেমে আসে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মি: দেবনাথ বলেন, “ যে কোন জিনিস বেশি গ্রহণ করাটা খারাপ। কেউ যদি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ১০০% অক্সিজেন গ্রহণ করে সেটাও খারাপ।অ্যামোনিয়া গ্যাস বাতাসের চেয়ে ভারী। সেজন্য এটা দ্রুত মাটিতে নেমে আসে।”

অ্যামোনিয়া গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে সে জায়গায় বেশি পরিমাণে পানি দিলে এই গ্যাস দ্রুত বিলীন হয়ে যায় বলে মি: দেবনাথ উল্লেখ করেন।

গত রাতে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর পারে অবস্থিত ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট নামের কারখানা থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে ৪০ জনকে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সূত্রঃ বিবিসি বাংলাদেশ।

শিরোনাম