বাংলা ওয়েব সাইটে ‘গুগল অ্যাডসেন্স’ ব্যবহার ‘মাইলফলক’ অর্জন : মোস্তফা জব্বার

সার্চ ইঞ্জিন ‘গুগল’ বাংলা ভাষায় নির্মিত ওয়েব সাইটে ‘গুগল অ্যাডসেন্স’ ব্যবহারের সুবিধা প্রদানকে বাংলা ভাষার জন্য ‘মাইলফলক’ অর্জন হিসেবে আমাদের সময় ডটকমের কাছে ‘আখ্যা’ দিয়েছেন তথ্য প্রযুক্তি বিশারদ মোস্তফা জব্বার।বিস্তারিত…

এবার ‘স্নুজ’ বাটন আনছে ফেসবুক

প্রযুক্তি নির্ভর এই যুগে সোশাল মিডিয়াগুলোর মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে ফেসবুক। এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

তবে এতো অ্যাপ ও প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেসবুকের জনপ্রিয়তা একটু হলেও কমতে শুরু করেছে। তাই নিজের অবস্থানটা আরও শক্ত করতে ফেসবুক এবার নিয়ে এলো ‘স্নুজ’ বাটন।বিস্তারিত…

তথ্য প্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বারের জম্মদিন…

আজ বিশিষ্ট তথ্য প্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বারের ৬৮তম জম্মদিন। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি জগতের কিংবদন্তীতূল্য ব্যক্তিত্ত্ব একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মোস্তাফা জব্বার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির জন্য পরিচিত হলেও তার কর্মকাণ্ড কেবল এই জগতেই সীমিত নয়, বরং নিজগ্রামসহ দেশব্যাপী সাধারণ শিক্ষার প্রসার ও শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারেও তিনি অবিরাম কাজ করে যাচ্ছেন। তার মাইলফলক কাজের মাঝে রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও সাধারণ বিষয়ের ওপর অনেকগুলো বইয়ের লেখক, কলামিস্ট ও সমাজকর্মী জনাব মোস্তাফা জব্বার এরই মাঝে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অন্তত ১৬টি পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন।

3

কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রয়োগ, প্রচলন ও বিকাশের যুগান্তকারী বিপ্লব সাধন করা, শিক্ষায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার প্রসার এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণা ও কর্মসূচি প্রকাশ এবং বাস্তবায়নে কাজ করা। একুশ শতকের সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কর্মসূচি ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন তিনিই দেখেছেন, তিনিই এর কর্মসূচি তৈরী করেছেন এবং তিনিই ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য অহোরাত্র কাজ করে যাচ্ছেন।

নিউজ ২১ ডেস্ক ঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক সম্মান এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রীপ্রাপ্ত মোস্তাফা জব্বারের পৈত্রিক নিবাস নেত্রকোণা জেলার খালিয়াজুরী থানার কৃষ্ণপুর গ্রামে। ১৯৪৯ সালের ১২ই আগষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার চর চারতলা গ্রামের নানার বাড়ীতে তাঁর জন্ম। মোস্তাফা জব্বারের বাবা আব্দুল জব্বার তালুকদার পাটের ব্যবসায়ী ও সম্পন্ন কৃষক ছিলেন। তার দাদা আলিমুদ্দিন মুন্সি ছিলেন বিশাল ভূ সম্পত্তির মালিক যার উপাধি ছিলো তালুকদার। তার মা রাবেয়া খাতুন সমগ্র জীবন গৃহিনী হিসেবেই জীবন যাপন করেছেন।

তার দাদা ও বাবা প্রতিষ্ঠিত নিজ গ্রামের প্রাইমারি স্কুল থেকে তিনি ১৯৬০ সালে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষা সম্পন্ন করেন। কিন্তু তার নিজ গ্রামে বা তার গ্রামের আশেপাশে এমনকি পঁচিশ কিলোমিটারের মাঝে কোন হাইস্কুল ছিলোনা বলে তিনি হাইস্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছিলেন না। তার বাবা-মা এবং নিজের কঠোর ইচ্ছাশক্তির কারণে গ্রামের বাড়ীর ২৫ কিলোমিটারের বেশি দূরের তৎকালীন সিলেট জেলার (বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার অধীনস্থ) বিরাট নামক একটি গ্রামের হাইস্কুলে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেন ও ১৯৬৬ সালে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হবিগঞ্জ কেন্দ্র থেকে মানবিক শাখায় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা দিয়ে দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেন। এরপর তিনি মানবিক শাখায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ঢাকা কলেজে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৬৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করেন।

সেই বছরই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৭২ সালে তিনি দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্নাতক সম্মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এই পরীক্ষাটি ১৯৭১ সালে হবার কথা ছিলো। ৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পরীক্ষা হলেও মুক্তিযুদ্ধের কারণে পরে সেটি বাতিল হয়ে যায়। এরপর তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭২ সালের পরীক্ষা ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন করে দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

1

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে মোস্তাফা জব্বার একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তার বাড়ীর পাশের সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ১৬১ জন রাজাকার যুদ্ধোত্তরকালে তার কাছে আত্মসমর্পণ করে যার মধ্যে ১০৮ জনকে মুক্তিযোদ্ধারা হত্যা করে ।

ছাত্রজীবনে তিনি রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য চর্চা, সাংবাদিকতা, নাট্য আব্দোলন; এসবের মাঝে ব্যাপকভাবে জড়িত ছিলেন। ৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তার লেখা বাংলাদেশের প্রথম গণনাট্য এক নদী রক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্রে মঞ্চস্থ হয়। ঢকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠকালে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অন্যতম নেতা ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ছাত্রলীগের পক্ষে নির্বাচন করে সূর্যসেন হলের নাট্য ও প্রমোদ সম্পাদক নির্বাচিত হন। স্বাধীনতার আগে তিনি সাপ্তাহিক জনতা পত্রিকায় লেখালেখির সাথে যুক্ত ছিলেন।

ছাত্র থাকাকালেই মোস্তাফা জব্বারের কর্মজীবন শুরু হয় ১৯৭২ সালের ১৬ জানুয়ারি সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে। সেই সময়ে তিনি সাপ্তাহিক গণকণ্ঠ পত্রিকায় রিপোর্টার হিসেবে কাজে যোগ দেন। ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ পত্রিকাটি দৈনিকে পরিণত হয়। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত গণকণ্ঠ পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হতো এবং সেই সময়ে প্রকাশিত পত্রিকাটির শেষ সংখ্যা পর্যন্ত তিনি তাতে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নির্বাচিত হন।

গণকণ্ঠ বন্ধ হয়ে যাবার পর তিনি ট্রাভেল এজেন্সি, মুদ্রণালয়, সংবাদপত্র ইত্যাদি ব্যবসায় যুক্ত হন। তিনি ট্রাভেল এজেন্টদের সংগঠন আটাব (এসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ)- এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১৯৮৭ সালের ২৮শে এপ্রিল মেকিন্টোস কম্পিউটারের বোতাম স্পর্শ করার মধ্য দিয়ে কম্পিউটার ব্যবসায়ে প্রবেশ করেন। সেই বছরের ১৬ মে তিনি কম্পিউটারে কম্পোজ করা বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা আনন্দপত্র প্রকাশ করেন। ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি প্রকাশ করেন বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার। সেটি প্রথমে মেকিন্টোস কম্পিউটারের জন্য প্রণয়ন করেন। পরে ১৯৯৩ সালের ২৬ মার্চ তিনি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্যও বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার প্রকাশ করেন। তিনি দেশের সংবাদপত্র, প্রকাশনা ও মুদ্রণ শিল্পের ডিটিপি বিপ্লবের অগ্রনায়ক। তিনি আনন্দ প্রিন্টার্স এবং আনন্দ মুদ্রায়ণের প্রতিষ্ঠাতা। তার হাতেই গড়ে ওঠে বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বাংলা নিউজসার্ভিস আনন্দপত্র বাংলা সংবাদ বা আবাস। তিনি এর চেয়ারম্যান ও সম্পাদক।

তিনি ইতিপূর্বে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির নির্বাহি পরিষদের সদস্য, কোষাধ্যক্ষ ও সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস ( বেসিস ) এর প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি ও পরিচালক এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার ক্লাবের সভাপতি ছিলেন।

২০০৮-০৯ সময়কালে তিনি দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ কম্পিউটরার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।২০১০-১১ সালে তিনি তৃতীয় বারের মতো বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২-১৩ সময়কালেও তিনি এই সমিতির পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

দেশে কম্পিউটারের শুল্ক ও ভ্যাট মুক্ত আন্দোলনের অগ্রণী নেতা ও শিক্ষায় কম্পিউটার প্রচলনের একনিষ্ঠ সাধক মোস্তাফা জব্বার এখন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক অনেক কমিটির সদস্য। তিনি কপিরাইট বোর্ড এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের কাউন্সিল সদস্য। ২০০৭ সালের ২৬ মার্চ তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণা সম্পর্কে প্রথম নিবন্ধ লেখেন এবং তার দ্বারাই ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার লিপিবদ্ধ হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় ১২ ডিসেম্বর ২০০৮ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং বাংলাদেশ সরকার এখন সেই প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা বাস্তবায়ন করছে।

Image result for বেসিস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বারতিনি কম্পিউটার বিষয়ে অনেকগুলো বই লিখেছেন। দেশের কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকাসমূহে ব্যাপকভাবে লেখালেখিতে ব্যস্ত মোস্তাফা জব্বার নবম ও দশম শ্রেণীর কম্পিউটার বিষয়ক পাঠ্যপুস্তক মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা বইটির লেখক। তার লেখা “কম্পিউটার ও ইনফরমেশন টেকনোলজি” এবং “একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম” স্নাতক পর্যায়ের পাঠ্য বই। উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, দুই খণ্ডের প্রাথমিক কম্পিউটার শিক্ষা, মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য প্রসঙ্গ ছাড়াও তার লেখা কম্পিউটারে প্রকাশনা, মাইক্রোসফট ওয়ার্ডমাইক্রোসফট এক্সেল ও তার সম্পাদিত কম্পিউটার অভিধান ব্যাপকভাবে প্রচলিত কম্পিউটার বিষয়ক বই। তার প্রথম উপন্যাস নক্ষত্রের অঙ্গার ২০০৫ সালে প্রকাশিত হয়েছে। সুবর্ণে শেকড় নামে আরেকটি উপন্যাস তিনি লিখছেন। এছাড়াও কম্পিউটার কথকতা, ডিজিটাল বাংলা, একুশ শতকের বাংলা, বাঙ্গালী ও বাংলাদেশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং একাত্তর ও আমার যুদ্ধ তার লেখা বইগুলোর অন্যতম।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘কম্পিউটার’ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ টক শো-এর মাধ্যমে তিনি এখনও কম্পিউটার প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে চলেছেন। এটিএন বাংলার ‘কম্পিউটার প্রযুক্তি’ এবং চ্যানেল আই এর ‘একুশ শতক’ অনুষ্ঠানের সহায়তায় ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমেও তিনি কম্পিউটারকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেন।

তথপ্রযুক্তিতে বিশেষ অবদান রাখা ও বিজয় বাংলা কীবোর্ড ও সফটওয়্যার আবিষ্কার করার জন্য তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সেরা সফটওয়্যারের পুরষ্কার, পশ্চিমবঙ্গের কমপাস কম্পিউটার মেলার সেরা কমদামী সফটওয়্যারের পুরষ্কার, দৈনিক উত্তরবাংলা পুরষ্কার, পিআইবির সোহেল সামাদ পুরষ্কার, সিটিআইটি আজীবন সম্মাননা ও আইটি এ্যাওয়ার্ডবেসিস আজীবন সম্মাননা পুরষ্কার ও বেস্টওয়ে ভাষা-সংস্কৃতি পুরষ্কারসহ ১৬টি পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। তার রয়েছে অসংখ্য সম্মাননা।

Image result for মোস্তফা জব্বার

সাংবাদিকতার কারণেই তিনি ৮৫ সালের পর থেকে কম্পিউটারে বাংলায় টাইপের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন। ডেস্কটপ পাবলিশিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে ৮৭‘তেই তিনি কম্পিউটারে কম্পোজ করে বাংলা পত্রিকা বের করেন৻ কিন্তু তখনো বাংলা টাইপ ছিল অত্যন্ত জটিল ।

এরপর ৮৭`তেই তৈরী করেন বাংলা কীবোর্ড বিজয় । বর্তমানে কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশ বিজয় দিয়েই কাজ করছেন। বিজয়ের এই ব্যাপক ব্যবহার শুরু হলেও বাংলায় বানান শুদ্ধকরণ, অভিধান ব্যবহার সহ আরো অনেক সুবিধা নেই ।

মোস্তফা জব্বার বলেন, এতে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে সরকারকে৻ কারণ এর জন্য পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে উদ্ভাবকরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলবেন৻

তিনি এখন শিশু শিক্ষাকে যতটা সম্ভব প্রযুক্তি নির্ভর করতে চাইছেন। সারাদেশে এই প্রযুক্তি নির্ভর ১৫টি প্রতিষ্ঠান তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে চালানো হচ্ছে।


https://i1.wp.com/upload.wikimedia.org/wikipedia/commons/2/29/Mustafa_Jabbar_in_2016.jpg?w=618&ssl=1

বেসিস সভাপতি জনাব মোস্তাফা জব্বার

শিক্ষানুরাগী মোস্তাফা জব্বার তাঁর নিজ গ্রামে বাবা প্রতিষ্ঠিত হাইস্কুলের সম্প্রসারণ করেছেন, বাবা-মার নামে গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং গ্রামের হাজী আলী আকবর পাবলিক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পিউটার শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন ও কম্পিউটার স্বাক্ষরতা প্রসারে ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছেন।

দেশজুড়ে মাল্টিমিডিয়া প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা ছাড়াও তিনি বিজয় ডিজিটাল স্কুল এবং আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের সাহায্যে শিক্ষাব্যবস্থার নতুন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছেন। কম্পিউটারকে শিক্ষা উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করে একুশ শতকের নতুন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা তাঁর জীবনের লক্ষ্য। তিনি এখন প্রধানত কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রয়োগ এবং শিক্ষামূলক সফটওয়্যার তৈরীতে ব্যস্ত আছেন।

বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছারা তিনি অনলাইন নিউজ পেপার এডিটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (অনেব) এর আহবায়ক এবং বাংলাদেশ অনলাইন মিডিয়া এসোসিয়েশন (বোমা) এর উপদেষ্টা হিসেবে আছেন।

হ্যাক হতে পারে মানুষের মস্তিষ্কও!

প্রযুক্তি বিদ্যার কল্যাণে বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে। সেই সাথে তাল মিলিয়ে চলছে হ্যাকারদের হানাও। ভাইরাস কিংবা পণবন্দি করার ভাইরাস ম্যালসমওয়্যার এখন আতঙ্কের নাম। আর এরই মধ্যে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণার ফল চিন্তার নতুন কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গবেষণা বলছে, হ্যাকারদের হানা থেকে মুক্ত নয় মানুষের মস্তিষ্কও।
বিস্তারিত…

ঘন ঘন স্মার্টফোন ঘাটছেন? হতে পারে ‘পিঙ্ক’ রোগ!

হাতের মুঠোয় অল টাইম স্মার্টফোন। সুযোগ পেলেই দেখে নেন হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক আপডেট। কখনও ইউটিউবে চোখ, তো কখনও এমনিই ঘেটে যাচ্ছেন স্মার্টফোন। আজকাল এই ধরণের অভ্যাসে আক্রান্ত সবাই। কিন্তু জানেন কি? এই স্মার্টফোন থেকে ছড়াচ্ছে এমন এক রোগ, যা থকে মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব!বিস্তারিত…

ডিজিটাল বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জনের বাজেট : পলক

নতুন অর্থবছরের বাজেটে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রাপ্তি প্রত্যাশা ছাড়ানো। খাতটিতে এই বাজেটে যে বরাদ্দ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রস্তাব এসেছে তা ডিজিটাল বাংলাদেশ লক্ষ্য অর্জনের অনুঘটক হবে বলে মনে করছে বিভাগটি।

শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে বাজেট নিয়ে এমন প্রতিক্রিয়া জানায় তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জনতা টাওয়ার সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

পলক বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে গত বাজেটের তুলনায় ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দ্বিগুনেরও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রবৃদ্ধি প্রায় ২১৮.৫ শতাংশ। এর মাধ্যমে প্রতিফলিত হয় ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সরকার কতটা আন্তরিক।বিস্তারিত…

ফেসবুক ব্যবহারে সারা পৃথিবীতে দু’নম্বরে ঢাকা

পৃথিবীর যে সব শহরে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে ঢাকা হচ্ছে দ্বিতীয় – এ কথা বলা হচ্ছে এক জরিপে ।

দুটি প্রতিষ্ঠানের যৌথভাবে চালানো এক বৈশ্বিক জরিপে একথা বলা হচ্ছে। জরিপটি চালিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘উই আর সোশাল’ আর কানাডাভিত্তিক ডিজিটাল সেবা প্রতিষ্ঠান হুটস্যুইট।

অনলাইনে প্রকাশিত এ বছরের এপ্রিল মাসের হিসেব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশিসংখ্যক সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারী আছেন ব্যাংকক শহরে, ৩ কোটি ।

এর পরই রয়েছে ঢাকা। এখানে সক্রিয় ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২২ মিলিয়ন বা ২ কোটি ২০ লাখ। তৃতীয় স্থানে আছে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা।বিস্তারিত…

গ্যালাক্সি এস ৮ কি নিরাপদ?

গ্যালাক্সি এস ৮ নামের নতুন স্মার্টফোনের ঘোষণা দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। কিন্তু নতুন এই ফোনের জন্য ক্রেতারা আগ্রহ দেখাবেন কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, স্যামসাংকে আরও একটি বড় সুযোগ দেবে মানুষ।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে, গ্যালাক্সি নোট ৭ নামের একটি মডেলের স্মার্টফোন বিক্রি বন্ধ করেছিল স্যামসাং। ব্যাটারিতে উৎপাদনগত ত্রুটি থাকার কারণে বেশ কয়েকটি নোট ৭ স্মার্টফোনে আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। ফলে বাজার থেকে নোট ৭ ফেরত নিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
তবে গত বুধবার গ্যালাক্সি এস ৮ স্মার্টফোন ঘোষণা উপলক্ষে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ বলেছে, তারা নোট ৭ ব্যাটারি দুর্ঘটনার বিষয়টি থেকে শিক্ষা নিয়েছে। এখন স্যামসাংয়ের স্মার্টফোনের জন্য সব ব্যাটারিকে ‘৮ পয়েন্ট টেস্ট’ নামের বিশেষ পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। এই পরীক্ষার মধ্যে রয়েছে চোখে দৃশ্যমান নজরদারি থেকে শুরু করে এক্স-রে টেস্ট পর্যন্ত। এমনকি কোনো ব্যাটারিতে যদি ত্রুটি দেখা যায়, তবে ১৫ হাজার ব্যাটারির পুরো ব্যাচ ধরে তা বাতিল করে দিচ্ছে।বিস্তারিত…

ইনস্টাগ্রামে ভিডিও কল সংরক্ষণ করা যাবে

এখন থেকে ইনস্টাগ্রামে লাইভ ভিডিও আর্কাইভ করে রাখতে পারবেন ইউজাররা। সম্প্রতি নতুন এ ফিচারটি চালু করলো সংস্থাটি। এর মাধ্যমে প্রতিটি ভিডিও কলকেই প্রমাণ হিসেবে রেখে দেওয়ার সুযোগ থাকবে। নতুন এ ফিচারটি ইউজারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলতে সক্ষম হবে বলে মনে করছে ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ।বিস্তারিত…

৩১ মার্চের পর যেসব ফোনে কাজ করবে না ফেসবুক

মোবাইলে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ! ৩১ মার্চের পর বেশ কয়েক মডেলের মোবাইল ফোনে কাজ করবে না ফেসবুক! হ্যা, এমন ঘোষণাই দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক। আর ফেসবুকিং করার জন্য নিজের মোবাইলের উপরেই ভরসা করেন অধিকাংশ মানুষ। সে ক্ষেত্রে ফেসবুক অ্যাপ এবং ফেসবুক মেসেঞ্জার অ্যাপ তাদের কাজ সহজ করে দেয়। কিন্তু ফেসবুকের নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বেশ কিছু মোবাইলে এই দু’টি অ্যাপ কাজ করা বন্ধ করে দেবে ৩১ মার্চের পরে।বিস্তারিত…

শিরোনাম