লন্ডনে ঝিনাইদহবাসীর পিঠা মেলা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শীত মানেই পিঠা-পুলির আয়োজন। ব্যস্ত প্রবাস জীবনে পিঠা-পুলির স্বাদ ছড়িয়ে দিতে রবিবার পূর্বলন্ডনের প্রাণ কেন্দ্র হুয়াইটচ্যাপেলের কলিংউড সেন্টারের পিঠা মেলার আয়োজন করে প্রবাসী ঝিনাইদাবাসীদের সংগঠন “প্রাণের ঝিনেদা“। পারিবারিক পরিবেশে আয়োজিত পিঠা মেলা ছিল সত্যিই মনোমুগ্ধকর ভিন্ন এক আয়োজন। খাওয়ার সাথে দেখার মজাও কম ছিল না। প্রত্যেকেই পরিচিত হতে থাকে নানান রকম ও স্বাদের পিঠা-পুলির সাথে। পিঠা উপভোগের পাশাপাশি আয়োজনের পুরোটা সময় জুড়ে চলে নানা রকম প্রতিযোগিতা ও বিনোদনের ব্যবস্থা।

প্রবাস জীবনের নানান ব্যস্ততার মাঝেও লন্ডন ও পার্শবর্তী শহরগুলো থেকে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ তাদের পরিবার পরিজনসহ নিজেদের ঘরে তৈরী পিঠার সমাহার নিয়ে ছুটে আসেন আনন্দঘন এ পরিবেশে যোগ দিতে। নাজমুল হাসান সোহাগ ও চ্যানেল এস এর হেড অফ চ্যারিটি সাংবাদিক তৌহিদুল করিম মুজাহিদের উপস্থাপনা আর তুহিন ফেরদৌসের পরিচালনায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে বৃটেনে বসবাসকারী প্রবাসী ঝিনাইদহবাসীদের পিঠা মেলার এ আয়োজন।

কলিংউড হলে জাকযমকপূর্ণ এ আয়োজনের অংশ নিতে দুর দুরান্ত থেকে ছুটে এসেছিল শতাধীক পরিবার। হরেক রকম পিঠার পসরা সাজিয়ে নিয়ে বসেছিল পিঠা মেলায় আগত পরিবারগুলো। ঝিনুক পিঠা, কুলি পিঠা, চিতই পিঠা, রসে ভিজানো পিঠা, ঝাল পাকান, মিষ্টি পাকান, ভাপা পিঠা, পাটি সাপটা, মুখ পাকড়, বালিশ পিঠা, কিমা পিঠা, দুধপুলি, চন্দ্রপুলি, জামাই ভাজা, বকুল পিঠা, বিবিখানা পিঠা, গোলাপফুল পিঠা, সিমফুল পিঠা, স্যান্ডউইচ, কলিজা সিঙ্গারা, খেজুর গুড়ের পায়েস, ননি গুরের পায়েস, মিষ্টি, গুড়ের জিলাপি, সানার জিলাপি, দই, পুডিং, খির, কেক, কাপ কেক সহ প্রায় ৩০ রকমের পিঠার সমাগম ঘটে পিঠা মেলার এ ছোট্ট আয়োজনে। কত নামের আর কত ধরনের পিঠার যে সমাগম হয়েছিল তা বোঝায়ে শেষ করা যাবে না। বাহারি রংয়ের এসব পিঠা কিনতে কাউকে অবশ্য পকেটের পয়সা খরচ করতে হয়নি। আর তাই তো পিঠা রসিকরা রিতিমত ব্যাস্ত হয়ে উঠেছিল মজার মজার সুস্বাধু পিঠার স্বাদ নিতে। অনেকে আবার বক্স ভর্তি করে নিয়ে গেছে যাবার সময়।

আয়োজকরা বলছেন, প্রবাস জীবনের ব্যাস্ততার মাঝে একটু স্বস্তি পেতে এমন আয়োজন সত্যিই আনন্দের। সেইসাথে নিড়ের সাথে নিজেদের সম্পর্ক আর ঐতিহ্যবাহী পিঠা-পুলির সাথে আগামী প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দেয়াই ছিল এই পিঠা মেলার মূল উদ্যেশ্য। আমাদের উদ্যেশ্য যে কতটা সফল তা পরিবারগুলোর দক্ষতা ও তাদের সক্রিয় উপস্থিতি দেখেই বোঝা যায়। মেলার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল বাবা-মায়ের পাশাপাশি তাদের সন্তানদেরকেও আনন্দে মাতিয়ে রাখা ও পরস্পরের সাথে পরিচয় ঘটিয়ে দেয়া।

পিঠা মেলার এ আয়োজনে যোগ দিতে মাসব্যাপি প্রায় সমস্ত পরিবারগুলোই ছিল বেশ কর্মচঞ্চল। প্রতিটি ঘরেই ছিল ঈদের আনন্দ। সন্তানেরা তাদের মায়েদেরকে নানাভাবে সহায়তা করা সহ নিজেরাও তৈরী করেছে তাদের পছন্দের পিঠা-পুলি, কেক সহ নানান খাবারের আয়োজন। আর প্রতিনিয়ত পরিবারগুলোর সর্বশেষ প্রস্ততির খবরা খবর জানানো হচ্ছিল সংগঠনের ম্যাসেন্জার গ্রূপে। ফলে অন্যরাও উদ্বদ্ধ হচ্ছিল নতুন কিছু তৈরীতে। এ যেন এক ভালো কাজের প্রতিযোগীতা। অনুষ্ঠানে তারই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে পিঠার সমাহার দেখে। যদিও এটা ছিল পিঠা মেলা তবুও এখানে রাখা হয়েছিল দুপুরের খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা। আশরাফুন রনি ও সোনিয়া ফেরদৌসের রান্না করা মজাদার খাবার খেচুরী সাথে মরিচ-পেয়াজের ভর্তা, নানান রকমের আচার, মুরগীর রোস্ট, ডিম ভোনা, খাসীর রেজালা, সালাদ সহ আরো কত কি!

খাবারের পর্ব শেষ হতে না হতেই সবাই ব্যাস্ত হয়ে উঠে তুহিন ফেরদৌসের মজার মজার আয়োজনে। বাচ্চাদের জন্য ফ্রগ জাম্প, চামচ দৌড়, মহিলাদের জন্য বালিশ খেলা, আর জামায়-বৌ‘য়ের জন্য বেলুন ফাটানো আর ফান বক্স লটারী তো বিনোদনে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। তুহিনের সাথে আমাদের ছোট্ট মামনি ফিজাও কোন অংশে কম যায়নি। তার ছোট্ট হাতে শিল্পের ছোয়া ছোট ছোট শিশুদেরকে অকৃষ্ট করে রাখে। তার হাতের ফেস পেইন্ট করাতে শিশুরা সবাই ব্যাস্ত হয়ে উঠে।  যে কোন আয়োজনে গান পরিবেশনা থাকে বিশেষ আয়োজন। পিঠা মেলায় সে আয়োজনেরও কমতি ছিল না কনোভাবেই। মালিহা তাবাছ্ছুম উপমা, আলামগির আজাদ, শাহনাজ ফেরদৌস, ওমর ফারুক, নাহার নাজমুন সহ আরো অনেকেই তাদের প্রতিভার সাক্ষর রাখতে উপভোগ্য গান উপহার দিয়ে উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে রাখে। এবারের আয়োজন পিঠা মেলায় যোগ দিতে এসে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ছাত্ররা আবেগ আপ্লূত হয়ে পড়েন। দীর্ঘ দিন পর এমন একটি আয়োজনে হাজির হতে পেরে সকল ঝিনেদাবাসীকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে এমন আরো অয়োজনের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে উপস্থিত সকলেই অত্যন্ত উৎসাহ ও আনন্দের সাথে সহমত পোষন করেন। তারা বলেন, শেকড়ের টানে আজ আমরা একত্রিত হতে পেরেছি। এ ধারা যেন অবিচল আর অব্যাহত থাকে আজীবন। আমাদের সন্তানেরা যেন নিজদেরকে চিনতে ভূল না করে। ভুলে না যায় তাদের শেকড়ের কথা, তাদের আপন জনদের কথা। ভূমিকে ভূলে না যায়। আমাদের এ প্রচেষ্ঠা তাদের জন্য নিশ্চয় নতুন দিগন্তের সৃষ্টি করবে। আগামীর পথ চলা ও বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ ও নিজ জেলা ঝিনাইদহকে তুলে ধরতে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভূমিকার রাখবে এটায় আমাদের প্রত্যাশা।

এ আয়োজন আমাদেরকে শুধু আনন্দই দেয়নি দিয়েছে প্রবাসে একটুকরো ঝিনেদার স্বাদ এমনই মন্তব্য উপস্থিত সকলের। পিঠা মেলার এমন মনোমুগ্ধকর আয়োজনে উপস্থিত না থাকতে পেরে অনেকেই গভীর দুঃখ ও অপারগতা প্রকাশ করেন। আগামী গ্রীষ্ম কালে পিকনিক সহ বছর জুড়ে নানা রকম আয়োজনের অভিপ্রায় ব্যক্ত করে অনুষ্ঠান শেষ করা হয়।

পুরুষের জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল

আর কিছু দিনের মধ্যেই বাজারে আসবে পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল। কারণ পুরুষদের জন্মনিয়ন্ত্রণে সক্ষম এক হরমোনের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। আর ওই হরমোনের ব্যবহার করে এরই মধ্যে আবিষ্কার হয়েছে নতুন জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল।

বিস্তারিত…

গর্ভনিরোধক বড়ির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ রোধের অন্যতম সহায়ক কনট্রাসেপটিভ পিল বা গর্ভনিরোধক বড়ি। নিয়মিত যৌনজীবনকে উপভোগ্য করে তুলতে অনেক মহিলাই এই বড়ি খেয়ে থাকেন। কিন্তু বড়ি খাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যে শারীরিক কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় সেইসব মহিলার ক্ষেত্রে। একাধিক শারীরিক সমস্যাও তৈরি হয়। অনেকের ব্যবহারেও পরিবর্তন আসে। বিস্তারিত…

চোখের তলায় কালি? সমাধানের সহজ উপায়

চোখের তলায় কালি পড়েছে? কেন বলুন তো আপনার চোখ দেখতে এমন ক্লান্ত লাগে? চোখের তলায় আই ব্যাগ হয়ে বয়সের ছাপ পড়ছে চেহারায়? বিভিন্ন কারণে হতে পারে এই সমস্যাগুলো।বিস্তারিত…

বাংলাদেশে জোড়া মাথার দুটো শিশুকে আলাদা করছেন ডাক্তাররা…

বাংলাদেশের পাবনায় কনজয়েন্ড বা মাথা জোড়া লাগা অবস্থায় জন্ম নেয়া দুটি শিশুর অপারেশনে একধাপ অগ্রগতি হয়েছে।

ডাক্তাররা বলছেন, ১৮-মাস বয়সী রাবেয়া ও রোকাইয়ার মাথায় যে যুক্ত রক্তনালী ছিল সেটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, যাতে দুজনের জন্য আলাদা রক্তনালী চালু হয়।

শিশু দুটি ভাল আছে এবং তাদের জ্ঞানও ফিরেছে বলে তারা বলছেন।

চিকিৎসকরা বলছেন, এখন তারা শিশু দুটির অবস্থা পর্যবেক্ষণ করবেন। আলাদা রক্তনালী তৈরি হলে তিনমাস পরে আবার একটি সার্জারি করা হতে পারে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জন শফিকুল ইসলাম বলছেন, ”পরীক্ষা নিরীক্ষা করে আমরা দেখেছি, তাদের মূল ধমনী বা শিরার পাশে কিছু বিকল্প শিরা আছে। আমরা আমরা সেটি বন্ধ করে দিয়েছি, ফলে বিকল্প শিরাগুলি আস্তে আস্তে সচল হয়ে উঠবে বলে আশা করছি। এভাবে আস্তে আস্তে তাদের দুজনের মাথার আলাদা কাঠামো তৈরি হবে। এরপর আমরা সার্জারি করে দুজনকে আলাদা করতে পারবো।”

তিনি বলছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ হতে সব মিলিয়ে মাস ছয়েক সময় লাগতে পারে।

সারা বিশ্বেই দুর্লভ এরকম জোড়া লাগানো শিশু দুটিকে পুরোপুরি আলাদা করতে আরও সময় লাগবে বলে তারা জানিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুধবার পাঁচ ঘণ্টা ধরে এই অপারেশন হয়। এতে অংশ নেন হাঙ্গেরি থেকে আসা দুই বিশেষজ্ঞ সার্জন।

শিশু দুটির বাবা, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম জানান, অপারেশনের পর শিশুদুটির জ্ঞান ফিরেছে এবং দুজনেই সুস্থ আছে।

তিনি জানান, মাথা একসাথে লাগানো থাকলেও, বাড়িতে দুজনেই স্বাভাবিক হাশিখুশী থাকে। নিয়মিত খাওয়া দাওয়া বা কথাও বলে। তবে রাবেয়া একটু বেশি কথা বলে আর রোকাইয়া একটু কম।

শিশু দুটির জন্ম পাবনা জেলার চাটমোহরে।

বাংলাদেশে এর আগে পেট, বুক বা শরীরের পেছনের অংশ জোড়া লাগানো শিশুর আলাদা করার অপারেশন হলেও, মাথা জোড়া লাগানো শিশু আলাদা করার প্রচেষ্টা এবারই প্রথম বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এর আগে তোফা ও তহুরা নামে দুটি কনজয়েন্ড শিশুর সফল চিকিৎসার খবর শুনে রাবেয়া ও রোকাইয়ার বাবা রফিকুল ইসলাম শিশু দুটিকে ঢাকায় নিয়ে আসেন।

চমৎকার লুক দাড়ি-গোঁফে !

এ সময়ের ফ্যাশনে মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ ছেলেদের অধিক জনপ্রিয়। তবে দাড়ির কাটিংয়ে রয়েছে ভিন্নতা। পরিবেশ, গেটআপ ভেদে স্টাইলিংয়েও দেখা যায় রকমফের। আর এ রকমফের সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে চুলের কাটিংয়ের ক্ষেত্রে। কোনো কোনো সময় চুলের সঙ্গে মিল রেখে দিতে হয় দাড়ি-গোঁফের কাট। দাড়ি-গোঁফের বিভিন্ন কাটিং আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গন থেকে ছড়ালেও পাওয়া যায় না কাটভেদে বিশেষ কোনো আলাদা নাম। কাটিং বা শেইপ ধরেই ডাকা হচ্ছে বিভিন্ন স্টাইলিং।

thumbnail__MG_9950

মডেলঃ সাগর  

পোম্পাডৌর

মাথার দু’পাশে একদমই ছোট চুলের শেইপ কাটের যে ফ্যাশন এখন বিদ্যমান তা থেকে কিছুটা ভিন্ন এই স্টাইল। পোম্পাডৌরে চুলের কাট দু’পাশে ছোট কিন্তু একদম শেইপ থাকে না। আর সামনের চুলগুলো একটু ঢেউ খেলিয়ে ব্যাক ব্রাশ করা হয়। আর এমন কাটের সঙ্গে বড় দাড়ি-গোঁফ রাখা এখন বেশ জনপ্রিয়। কেননা ফরমাল গেটআপের সঙ্গে বেশি মানানসই এই স্টাইল।

thumbnail__MG_9959

পোম্পাডৌর

মাথার দু’পাশে একদমই ছোট চুলের শেইপ কাটের যে ফ্যাশন এখন বিদ্যমান তা থেকে কিছুটা ভিন্ন এই স্টাইল। পোম্পাডৌরে চুলের কাট দু’পাশে ছোট কিন্তু একদম শেইপ থাকে না। আর সামনের চুলগুলো একটু ঢেউ খেলিয়ে ব্যাক ব্রাশ করা হয়। আর এমন কাটের সঙ্গে বড় দাড়ি-গোঁফ রাখা এখন বেশ জনপ্রিয়। কেননা ফরমাল গেটআপের সঙ্গে বেশি মানানসই এই স্টাইল।

স্টাবল

ছোট চুল, ছোট দাড়ি-গোঁফ এই দুইয়ে মিলে স্টাবল কাট জমে ওঠে। এক্ষেত্রে একদমই খোঁচা খোঁচা দাড়ি-গোঁফ রাখতে হবে। মানে বেশি বড় দাড়ি এই স্টাইলের অন্তর্গত নয়। বিশেষ করে যাদের পাতলা দাড়ি তারা খুব সহজেই এই ফ্যাশনে আসতে পারেন।

বড় চুলে দাড়ি-গোঁফ

বড় চুলে দাড়ি-গোঁফ দেখা যায় ভিন্টেজ অনেক ফ্যাশনে। ঘুরে-ফিরে তা আবার পা দিয়েছে এই যুগে। তবে এবার চুলের কাটের একটু ভিন্নতা দেখা যায়। এক্ষেত্রে চিপের একটু ওপরের অংশেও চুল ছোট করে সাইজে আনা হয় দু’পাশ থেকেই। এর সঙ্গে বড় বা মাঝারি দাড়ি-গোঁফ। যারা একদমই ক্যাজুয়াল থাকতে ভালোবাসেন তাদের জন্য এই স্টাইল বেশি জুতসই।

লেখা : সামিয়া ইসলাম সাম্মী।

রাস্তা নেই যে শহরে !

কখনো কি শুনেছেন এমন কোনো শহরের কথা; যেখানে নেই কোনো রাস্তা, নেই কোনো গাড়ি? কোলাহল ও ব্যস্ততার সঙ্গে যার নেই সম্পর্ক! হয়ত মনে হতে পারে রূপকথার রাজ্য যেন এটি।

রূপকথা নয় বরং বাস্তবেই দেখা মিলবে এমন শহরের, যে শহরের সব রাস্তা পানি দিয়ে তৈরি। গাড়ির বদলে আছে নৌকা। নেদারল্যান্ডের রাজধানী আমস্টারডাম থেকে ৭৫ মাইল উত্তরে অবস্থিত এই শহরটির নামে গিথুর্ন।

যাতায়াতের জন্য এখানে রয়েছে প্রায় ১৮০টি সেতু। অপার সৌন্দর্যের এই শহরটি ‘ডাচ ভেনিস’ নামেও পরিচিত।

সড়কবিহীন শহর!

গাড়ি নেই বলে নেই কোনো যানজট, নেই কোনো কালো ধোঁয়া। মাত্র ২৬০০ জনের এই শহরটিতে ঘুরে বেড়াতে হবে নৌকায় কিংবা হেঁটে।
শান্তি ও প্রকৃতির রূপে অনন্য এই শহরের পাশে সুপরিকল্পিতভাবে কাটা হয় ছোট ছোট খাল, যা জয় করে পর্যটকদের মন।

বিশাল প্রাকৃতিক সংরক্ষণশালা উইরিবেন উইডেন ন্যাশনাল পার্কের মাঝ বরাবর অবস্থিত ডাচ ভেনিস। শীতকালে শহরটি জনপ্রিয় খাল ও হ্রদগুলোতে আইসস্কেটিং করার জন্য।

আর গ্রীষ্মকালে রঙিন ফুল এবং সবুজের সমাহারও নজর কাড়ে পর্যটকদের। এছাড়াও শহরের ঐতিহ্য জানার জন্য যেতে পারেন জাদুঘর পরিদর্শন ও চিত্রপ্রদর্শনীতে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপে গেলে যা দেখতে ভুলবেন না

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন৷ স্থানীয়ভাবে জায়গাটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত৷ টেকনাফ থেকে ৩৫ কিলোমিটার সমুদ্রগর্ভে এই দ্বীপের অবস্থান৷ প্রায় ১৬ বর্গকিলোমিটার দীর্ঘ এ দ্বীপের আকর্ষণ সৈকত জুড়ে সারিসারি নারিকেল গাছ, বেলাভূমিতে প্রবাল পাথর, দিগন্তজুড়ে সমুদ্রের নীল জলরাশির মনমাতানো সৌন্দর্য৷ ছোট্ট এই দ্বীপটিতে বৈচিত্র্য ঠাসা৷বিস্তারিত…

৩১ হাজার শ্রমিক নেবে ইটালি

প্রতি বছরের মতো এবারও মৌসুমী ভিসাসহ অন্যান্য ক্যাটাগরির ভিসার তালিকার গেজেট প্রকাশ করেছে ইতালি সরকার। এবারও বাংলাদেশের কোনো কোটা রাখেনি দেশটি। এ নিয়ে টানা ছয় বছর ধরে ইতালিতে বাংলাদেশি কোনো শ্রমিক মৌসুমী ভিসা পাচ্ছেন না।বিস্তারিত…

যে ৫ টি বিষয় আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে

অনেক সময়ই আমরা আমাদের লাইফ নিয়ে ফ্রাসট্রেটেড হয়ে পরি এবং নিজেদের যোগ্যতা, পটেনশিয়াল এবং কনফিডেন্স নিয়ে অনেক হীনমন্যতায় ভুগি। আসলে আমাদের পটেনশিয়াল বা ক্ষমতা অনেক বেশী, আমরা সঠিকভাবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারলে আমাদের জীবনের উদ্দেশ্যগুলো অর্জন করতে পারার ক্ষমতা হবে সীমাহীন। অনেকগুলো উপায়ের মাঝে আমরা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি ৫ টি উপায় যার মাধ্যমে আমরা নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারব।

১। নিজের সাথে নিজের তুলনা করুনঃ

আমরা সকলেই প্রায় ডিমোটিভেটেড হয়ে পরি। ঘুম থেকে উঠে অফিস যেতে মন চায় না, কাজ করতে ভাল লাগেনা, ক্লাস বা কোন কিছুর প্রতি আগ্রহ কাজ করেনা। তখন একবার ভেবে দেখবেন যে, আপনার কোন গোলগুলো এখনও অর্জন বা অ্যাচিভ করা হয়নি। হতে পারে এটা নতুন কিছু শেখা, নিজের পার্সোনাল ডেভেলপমেন্ট এর জন্যে কিছু করা, চাকরি বা কর্মক্ষেত্রে প্রোগ্রেস করা, ফ্যামিলিকে আরও সময় দেয়া ইত্যাদি। সত্যি বলতে, যত আমরা এই তুলনাটি করব তত আমরা বুঝতে পারব আমাদের আরও কি কি অ্যাচিভ করা বাকি। আর এই লক্ষ্য অর্জনের আগ্রহের মাধ্যমেই নিজেদেরকে মোটিভেটেড রাখতে পারব। সুতরাং শত ব্যস্ততার মাঝে নিজেকে সময় দিন, একটু ভাবুন যে কি করার কথা আর কি করছেন, একটু হলেও অনুপ্রেরণা পাবেন। এবং এই অনুপ্রেরনাই আপনাকে আরও বেশী আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।বিস্তারিত…

শিরোনাম