অদ্ভুত ৮ গাড়ি!

আটটি অদ্ভুত গাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে। গাড়ি আটটি আট ধরণের। বিশ্বে এ গাড়িগুলোর দ্বিতীয়টি নেই। এমনটাই জানিয়েছে আনন্দ বাজার।

সেখানে বলা হয়েছে, গাড়িগুলোর কোনোটা দেখতে বড় হাঙরের মতো। আবার কোনোটা আগুনমুখো অক্টোপাসের মতো।

আর এমন উদ্ভুৎ গাড়ি নিজের চোখে দেখতে হলে যেতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার ব্ল্যাক রক মরুভূমিতে। তবে যেকোনো সময় গেলেই গাড়িগুলো দেখা যেতে না পারে। ব্ল্যাক রকে বার্নিং ফেস্টিভ্যালের সময় গাড়িগুলোর দেখা মেলে।

২০১৬ সালের বার্নিং ফেস্টিভ্যালে অংশ নেওয়া পুরনো গাড়িকেই বিভিন্ন ধরনের অদ্ভুত আকার দিয়েছেন বিভিন্ন শিল্পী।

লস অ্যাঞ্জেলসের শিল্পী ডেরেক উন্ডার এবং তার টিম ১৯৮০ সালের ঘেটো বাল্স্টার অডিও প্লেয়ারের ধাঁচে তৈরি গাড়িটা বানিয়েছিলেন।

‘যান্ত্রিক অক্টোপাস’ গাড়িটা ছিল উপস্থিত দর্শকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষনীয় অদ্ভুত গাড়ি। সম্পূর্ণ গাড়িটি পুরনো গাড়ির যন্ত্রাংশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল।

ড্যানিয়েল বেকম্যান নামে এক শিল্পী এই গাড়িটা তৈরি করেছিলেন। মরুভূমির মাঝে এক টুকরো মরুদ্যান এর ভাবনা থেকে এটা তৈরি করেছিলেন শিল্পী।

শিল্পী ব্রুস টোম্ব এই গাড়িটি বানিয়েছিলেন।

শ্যান ও হারে নামে এক শিল্পী ভিক্টোরীয় ম্যানশন ধাঁচে এই তিনতলা গাড়িটি তৈরি করেন।

২০০২ সালে গাড়িটি প্রথম বার্নিং ম্যান ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছিল। আবার চকচকে অ্যালুমিনিয়াম পাত দিয়ে হাঙরের আকারে গড়ে এটা ২০১৬ সালেও উৎসবে অংশ নিয়েছিল।

লাল ড্রাগনের মতো গাড়িটি তৈরি করেছিলেন কলোরাডোর গাড়ি প্রস্তুতকারক ক্যাপ্টেন কার্বুরেটর।

দুইজন ধাতব শিল্পী কেভিন ক্লার্ক এবং টিএম পটার গন্ডারের মতো দেখতে এই গাড়ি তৈরি করেছিলেন।

গরু নেই, নিজেদের কাঁধে ঘানির ভার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবজপুর ইউনিয়নের হাজার বিঘী গ্রাম। এই গ্রামের বাসিন্দা শ্রী হরিপদ সাহা, বয়স ৬৫ পেরিয়ে গেছে। ঘাঁনিতে ভাঙ্গা তেল বিক্রি করেই সংসার চালান তিনি। তবে পড়ন্ত বয়সে এসে পৌঁচ্ছালেও অর্থের অভাবে আজও কেনা হয়নি ঘানি টানার জন্য একটি গরু। তাই সংসার চালাতে স্ত্রী শ্রী মিনতী রানীকে সাথে নিয়ে নিজেরাই বয়ে চলেছেন ঘানি।

‘টাকার অভাবে গরু কিনতে পারিনি, তাই নিজেরা ঘানি টানি, তেল তৈরি করি আর তা বিক্রি করেই ভাত খাই, কষ্ট হয় তবুও খুশি আমরা, অন্তত ভিক্ষা করে তো খাই না।’ – কষ্টের মাঝেও এ জীবন সংগ্রামে হার না মানা হরিপদর স্ত্রী এভাবেই নিজেদের কথা বলছিলেন।

হরিপদর বাড়িতে ছোট দুটি ঘর, একটিতে তারা বসবাস করেন, অন্যটিতে তেল তৈরির জন্য ঘানি বসানো হয়েছে। ঘানিতে সরিষা দিয়ে স্বামী স্ত্রী পালাক্রমে আবার কখনও একসাথে টেনে চলছেন ঘানি।

ঘানি টানতে টানতে হরিপদ সাহা বলেন, ‘৫ কেজি সরিষা দেওয়া আছে, এই থেকে যে তেল হবে তা গ্রামের হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে যাব। তেল বিক্রি হলেই তার লাভের অংশ দিয়ে দুপুরের খাওয়ার জন্য চাল কিনতে পারব। তারপর খেতে পাব।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছি। মাঝে একবার একটা গরু কিনেছিলাম। কিন্তু দুটো মেয়ের বিয়েতে সে গরু বিক্রি করে প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ করেছি। তারপর থেকে আর গরু কেনার টাকা জোগাড় করতে পারিনি, এখন দুই হাজার টাকা পুঁজি আছে, তা দিয়ে সরিষা কিনে কোনোরকমে তেল করি।’

প্রতিদিন কত আয় হয় জানতে চাইলে, তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ কেজি তেল বিক্রি হয়। তাতে লাভ ৬৫টাকা এবং খৈল থেকে পায় ১০০ টাকার মতো। সবমিলিয়ে দৈনিক ১৬৫ টাকা আয় হয়। তাই দিয়ে তিন জনের সংসার কোনোরকমে চলে। কোনো কারণে তেল বিক্রি করতে না পারলে সেদিন না খেয়েই থাকতে হয়। দিনে ২বার সরিষা ভাঙাতে হয়। উন্নতমানের ১০ কেজি সরিষা থেকে তিন থেকে সাড়ে ৩ লিটার তেল হয়।’

হরিপদ কথায় কথায় বললেন, ‘ছোট মেয়েটি পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়ে। এপর্যন্ত কেউ কোনো সহযোগিতা করেনি। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোনো কার্ড পাইনি। কোনো জমিজমা নেই। কয়েক শতক পৈত্রিক ভিটায় আট ভাই ঠেষাঠেষি করে কোনো রকমে থাকি।’

এখানেই শেষ হতে পারত এই কষ্টের কথাগুলো। তবে না, হরিপদর ছোট ভাই শম্ভুপদ সাহা (৬০) ও তার স্ত্রী শ্রী গাজলী রানী সাহা (৫৫) একই ভাবে ঘানি টানছেন। ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত তারা।

শম্ভুপদ বলেন, ‘আমাদের কোনো পুঁজি নেই। গ্রামে গ্রামে ঘুরে বাকিতে সরিষা কিনে এনে নিজে ঘানি টেনে সরিষা ভাঙিয়ে তেল ও খৈল বিক্রি করে পাওনাদারকে টাকা শোধ করার পর যা থাকে তাই দিয়ে ৬ সদস্যের পরিবার নিয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছি। টাকার অভাবে একটি গরু কিনতে পারছি না। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে এভাবে নিজেরাই ঘানি টেনে সরিষা ভাঙাই।’

তিনি জানান, বন্যা, ভারী বর্ষণ বা অন্যকোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগের কারণে গ্রামে যেতে না পারলে সেদিন না খেয়েই বাড়িতে বসে থাকতে হয়। এটাই আমাদের জীবন কাহিনী।

হরিপদর আরেকভাই শ্রী তারাপদ সাহা(৫৮), তারও আছে শুধু ঘানি ও ৪ হাজার টাকা পুঁজি। তাই দিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে সরিষা কিনে স্বামী–স্ত্রী পালাক্রমে ঘানি টেনে সরিষা ভাঙিয়ে দিনে প্রায় ৪ লিটার তেল ও সাড়ে ৫ কেজি খৈল বিক্রি করে লাভের অংশ দিয়ে কোনো রকমে দিন কাটান।

তারাপদ সাহা বলেন, আমরা তিনভাই এভাবেই দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে সংসার চালিয়ে আসছি। ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করার ইচ্ছা থাকলেও অভাবের কারণে পারছি না।

পরিবার নিয়ে কঠিন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করলেও অন্যের দিকে চেয়ে না থেকে প্রতিনিয়ত পরিশ্রম করেই বেঁচে থাকতে চান হরিপদ সাহা, শম্ভুপদ সাহা ও তারাপদ সাহা।

পথে প্রবাসে//বিএম ।

অদ্ভুত মানব শিশু প্রসব

নাটোরের বড়াইগ্রামে মঙ্গলবার দুই মাথা, তিন হাত ও দুই পা বিশিষ্ট এক অদ্ভুত মানব সন্তানের জন্ম হয়েছে। উপজেলার চামটা গ্রামের মোজাম্মেল হকের (৩৮) স্ত্রী হনুফা বেগমের (৩২) গর্ভে ধারণকৃত ওই শিশু জোনাইল বাজারের শাফী ক্লিনিকে অস্ত্রপচারের মাধ্যমে প্রসব হয়। মোজাম্মেল হক জানান, প্রায় ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। এর আগে সুমাইয়া (৯) ও ইউসুফ আলী (৭) নামে তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। এটি তাদের তৃতীয় সন্তান।কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের শিশুরা সাধারণত বেঁচে থাকেনা। এই শিশুর একাংশ অর্থাৎ একটি মাথা ইতিমধ্যে মারা গেছে। হয়তো অপরটিও মারা যাবে।

সুত্রঃ নতুন খবর।

 

১০০ মিটার দৌড়ে সোনা জিতলেন ১০০ বছরের বৃদ্ধা!

ভারতের ১২৫ কোটি মানুষের প্রার্থনা সফল হয়নি! রিও অলিম্পিক থেকে কোন সোনা জিততে পারেনি দেশটি। কিন্তু অলিম্পিক শেষ হতেই এল খুশির খবর। ভারতকে সোনা এনে দিলেন এক বৃদ্ধা!  ভারতের চণ্ডীগড়ের মন কউর। ১০০ বছর বয়সেও তিনি দৌড়ে তাক লাগিয়ে দিলেন সবাইকে। সোনা জিতলেন আমেরিকার মাস্টার্স গেমস-এ। এই বয়সেও যে এমন  দৌড়াতে পারেন তা বিশ্বাসই করা যায়না। তবে এটা শুধু বয়স্কদের দৌড় প্রতিযোগিতা ছিল।

সূত্র: কলকাতা নিউজ ২৪

সিদ্ধার্থ এবং ক্যাটরিনার কালো চশমা এখন নিলামে!

পুরো ইন্টারনেট জুড়ে বইছে ‘কালো চশমা’র ঝড়। আর সেই সুযোগটা সহজে ছেড়ে দিতে রাজি নন ‘বারবার দেখো’ চলচিত্রের নির্মাতারা। ‘কালা চাশমা’ গানটিতে সিদ্ধার্থবিস্তারিত…

শিরোনাম