৬০০ কোটি টাকা অতিক্রম করল ডিএসই’র গড় লেনদেন

সদ্য সমাপ্ত সপ্তাহে (১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দৈনিক গড় লেনদেন ৬০০ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে। একইসঙ্গে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে সার্বিক মূল্য সূচক।ডিএসই’র সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৩০টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৫২টির, কমেছে ১৫১টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ২৫টির। এসময় ডিএসইতে ৮৭ কোটি ৮৩ লাখ ৬২ হাজার ১৯৯টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়।বিস্তারিত…

২০৩০ সালের আগেই দারিদ্র্য শূন্যে নামবে: মুহিত

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অনুযায়ী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় থাকলেও তার আগেই বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার শূন্যে নামবে বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের আসন্ন ঢাকা সফরকে দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল‌্যের ‘স্বীকৃতি’ হিসেবে দেখছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে শুক্রবার বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর মুহিত বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্টের ঢাকা সফর আমাদের জন্য একটি গর্বের বিষয় (ইটস এ ম্যাটার অফ প্রাইড)।
“আমরা দারিদ্র্য বিমোচনে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছি সেটা সরেজমিনে দেখতেই তিনি (কিম) বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন।
“ইট ইজ এ গুড ওকেশান অব পাবলিসিটি ইন বাংলাদেশ। ইটস এ গুড রিকগনিশন অব পারফরমেন্স অব বাংলাদেশ।”
দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অর্জনকে ‘অবশ্যই সাকসেস’ বলেন মুহিত।
বিশ্ব ব্যাংকের হিসাবে, ২০১৫-১৬ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশে অতি দারিদ্র্যের হার মোট জনসংখ্যার ১২ দশমিক ৯ শতাংশে নেমে এসেছে, যেখানে ২০০৯-১০ অর্থবছর শেষে এ হার ছিল সাড়ে ১৮ শতাংশ।
দ্রুত কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “তবে এটা আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, আমাদের দারিদ্র্য শূন‌্যে নামিয়ে আনতে কোনো মতেই ২০৩০ সাল লাগবে না। তার আগেই আমরা সে লক্ষ্যে পৌঁছে যাব।”
জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে (এসডিজি )  ২০৩০ সালের মধ্যে অতি দরিদ্র মানুষের সংখ্যা শূন‌্য থেকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে।
ঢাকা সফর নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় কোনো বৈঠক হবে  কি না- এ প্রশ্নের ‍জবাবে মুহিত বলেন, “না, আমার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক হবে না। সব কিছুই তো আগেই ঠিক হয়ে আছে।”
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ওয়াশিংটনে বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূইঞা বলেন, “বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরে বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ভালো কাভারেজ পাওয়া যাবে। এতে বাংলাদেশের সুনাম বাড়বে।”
জিম ইয়ং কিম ঢাকা সফরে যাচ্ছেন ১৬ অক্টোবর, থাকবেন তিন দিন। ১৭ অক্টোবর ‘বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবস’ ঢাকাতেই কাটাবেন তিনি।
ওই দিন ঢাকায় দারিদ্র্য বিমোচন নিয়ে একটি ‘পাবলিক লেকচার’ হবে, সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেবেন কিম।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুডসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ কয়েকজন অর্থনীতিবিদ বক্তৃতা করবেন ওই অনুষ্ঠানে।
ঢাকায় অবস্থানকালে কিম শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী মুহিতের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন।
বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশের কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পও কিম ঘুরে দেখবেন বলে সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন আগেই জানিয়েছিলেন।
বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্টের উপস্থিতিতে ‘বিশ্ব দারিদ্র্য বিমোচন দিবস’ পালন করে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মন্তব্য করেন মুহিত।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গত বছর অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় সংস্থাটির ১৮৮টি দেশের প্রায় ১০ হাজার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছিলেন।
লিমায় বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের ওই সম্মেলন চলাকালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্থনীতিতে বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার গল্পকে ‘বিস্ময়কর’ বলেছিলেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ কৌশিক বসু।
বিশ্ব ব্যাংক ঢাকা অফিসের প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, ঢাকায় তিন দিনের সফরে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বসবেন।
“এমডিজি অর্জনে বাংলাদেশের অর্জন শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, অনুকরণীয় হয়েছে উন্নয়নশীল বিশ্বে। প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় মাথাপিছু আয় কম হওয়ার পরও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অসামান্য সাফল্য দেখিয়েছে।
“বাংলাদেশ দেখিয়েছে প্রবৃদ্ধি দারিদ্র্য বিমোচনের একমাত্র অবলম্বন নয়, স্বল্প আয় নিয়েও অনেক অর্জন সম্ভব। এ সাফল্য দেখতেই বাংলাদেশ সফরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট।”
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিশ্ব ব্যাংকের পঞ্চম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঢাকা সফর করছেন জিম ইয়ং কিম।
বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট ম্যাকনামারা প্রথম বাংলাদেশ সফর করেন। সর্বশেষ ২০০৭ সালের নভেম্বরে আসেন তখনকার প্রেসিডেন্ট রবার্ট জোয়েলিক।
বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টদের মধ‌্যে পল উলফোভিজ ও জেমস উলফেনসনও বাংলাদেশ ঘুরে গেছেন এর আগে।
দক্ষিণ কোরীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক জিম ইয়ং কিম ২০১২ সালের ১ জুলাই বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হন।
শুক্রবার বিশ্ব ব্যাংক-আইএমএফের বার্ষিক সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কিম নিজেই ঘোষণা দেন তার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানো হয়েছে।
“সে কারণেই কিমের ঢাকা সফরকে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বাংলাদেশ,” বলেন মুহিত।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে দীর্ঘ টানাপড়েনের পর ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাংককে ‘না’ বলে দেওয়ায় বিশ্ব আর্থিক খাতের ‘মোড়ল’ এই সংস্থার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে বলে কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করলেও বাস্তবে তা ঘটেনি। বরং প্রতিবছরই বাংলাদেশে তাদের সহায়তার পরিমাণ বাড়ছে।
শনিবার সকালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) গভর্নরদের আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম।
বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত প্রথম সারিতে ফটোসেশনে অংশ নেন।

নীবা//বি এম। ০৯.১০.২০১৬ ইং

নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব

আবারো আলোচনায় অন্যতম নিত্যপণ্য তেল ও চিনির বাজার। বছরের শুরু থেকেই পণ্য দুটির দাম উর্দ্ধমুখী থাকলেও নতুন করে দাম বাড়ানোর প্রস্তাব আমদানিকারক ও মিল মালিকদের।

তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যাওয়াও এমন প্রস্তাব তাদের। দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও কোম্পানিগুলো বেশী দাম দাবি করছে বলে অভিযোগ খুচরা ব্যবসায়ীদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি সরকারকে শুল্ক কাঠামোর দিকে নজর দেয়া উচিত।

রমজানের পর থেকে এরই মধ্যে দুই দফায় বেড়েছে ভোজ্য তেলের দাম। আর বছরের শুরু থেকেই উর্দ্ধমুখী থাকায় একই সাথে আলোচিত আরেক নিত্যপণ্য চিনির বাজার।

এর রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো তেল ও চিনির দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বিপণনকারী কোম্পানি ও মিল মালিকরা। জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ট্যারিফ কমিশনের এক বৈঠকে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে আট টাকা ও চিনির দাম প্রতি কেজিতে ছয় টাকা করে বাড়ানোর প্রস্তাব দেন তারা।

বর্তমানে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি হচ্ছে ৯২-৯৮ টাকায় আর চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকায়। তবে, খুচরা ব্যবসায়ীদের অভিযোগ এখনও দাম বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোন সিদ্ধান্ত দেয়া না হলেও কোম্পানিগুলো এখন থেকেই বেশী দাম দাবি করছে।

দাম বাড়ানোর এই প্রস্তাবকে অপ্রত্যাশিত, বলছেন সাধারণ ক্রেতারা।

এই বিশ্লেষক মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়তি থাকায় দেশের বাজারেও দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তবে তার মতে, সরকারকে বাজার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কাঠামোর বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবিত দর বিশ্লেষণ করে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করবে ট্যারিফ কমিশন। এরপর সেটি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে মন্ত্রণালয়।

সুত্রঃ চ্যানেল ২৪।

চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে

বাঙালির সবচেয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য চালের দাম বেশ কিছু দিন ধরে বাড়ছে, যাকে ‘অস্বাভাবিক’ বলছেন বিক্রেতারাও।কোরবানি ঈদের পর থেকে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে মোটা চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ছয় থেকে আট টাকা; সরু চালে চার থেকে পাঁচ টাকা।রাষ্ট্রায়ত্ত বিপণন সংস্থা টিসিবির হিসাবে, শুক্রবার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল (স্বর্ণা) ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ভালো মানের সরু চাল (নাজির শাইল/মিনিকেট) বিক্রি হয়েছে ৪৮ থেকে ৫৬ টাকা দরে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরেও প্রায় একই তথ্য পাওয়া গেছে। তবে কোনো কোনো বাজারে এর চেয়ে এক-দুই টাকা বেশি দরে চাল বিক্রি হতে দেখা গেছে।এর মধ্যে ইরি ৮ ও স্বর্ণা চালের দর কেজিতে পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেড়ে ৩৩ থেকে ৩৪ টাকায় উঠেছে, যা খুচরায় বেড়েছে ৩৮ টাকা।

ঢাকার বাড্ডার কামরুল রাইস এজেন্সির মালিক মহিউদ্দিন শেখ বলেন, “চালের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে।এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে পাইকারি বাজারে বিআর ২৮ এর দাম ৩৬ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকা, স্বর্ণা চাল ৩৩ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ টাকায় পৌঁছেছে এবং মিনিকেট চালের কেজি ৪২ টাকা থেকে বেড়ে ৪৫ টাকায় উঠেছে।”

বিস্তারিত…

বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী ও বাজার-সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা উন্নয়নে একটি প্রশিক্ষণ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করবে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ প্রতিষ্ঠানের নাম হবে বাংলাদেশ একাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেট (বিএএসএম)।

বিএএসএমে পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারী ও বাজার-সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণে সার্টিফিকেট কোর্স, ডিপ্লোমা, পোস্টগ্র্যাজুয়েট কোর্স পরিচালিত হবে।

বিএএসএম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিএসইসি ‘বিনিয়োগ শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ-২০১৬’ নামে একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। খসড়া নীতিমালাটি জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

নীতিমালাটির খসড়ায় বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারী, পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ও সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে আর্থিক জ্ঞান বাড়াতে মধ্য, স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণের আওতায় উপ-আনুষ্ঠানিক ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদান ছাড়াও কমিশনের আদেশের বলে অন্যান্য শিক্ষা, যেমন—রোড শো, সেমিনার, ওয়ার্কশপ পরিচালিত হবে।

প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার প্রস্তাবিত নীতিমালায় আর্থিক জ্ঞান বাড়ানোর জন্য ‘বিনিয়োগ শিক্ষা তহবিল’ নামে একটি তহবিল গঠন করা হবে। যে তহবিলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি, ক্লিয়ারিং ও সেটেলমেন্ট কোম্পানি, ইস্যুয়ার, অর্থ ও পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, অনুদান বা অন্য কোনো খাত হতে অর্থ জমা হবে।

বিনিয়োগ শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি গঠনের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায়। কমিশন সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে উপদেষ্টা কমিটি গঠন করবে। এ ছাড়া বিধিমালার উদ্দেশ্য পূরণে ও বিনিয়োগ-সিকিউরিটিজ মার্কেট-সংশ্লিষ্ট শিক্ষার প্রসারে কমিশন প্রয়োজনবোধে আইনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে পারবে।

২০০৮ সালে স্টেকহোল্ডার, বিনিয়োগকারী ও বাজার-সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ক্যাপিটাল মার্কেট (বিআইসিএম) নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে বিএসইসি। বিভিন্ন কোর্সের আওতায় বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্ট শিক্ষা দিচ্ছে এ প্রতিষ্ঠান।

রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে আগামী বৃহস্পতিবার। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত রোববার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশের রিজার্ভের আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে সরিয়ে নেয় হ্যাকাররা।

ওই ঘটনায় সমালোচনার মুখে গভর্নরের পদ ছাড়েন ড. আতিউর রহমান। পরে রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তে সাবেক গভর্নর মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কমিটি গত ৩০ মে সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর কাছে এ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। তদন্ত কমিটির ওই প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তা প্রকাশ করার কথা জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

পথে প্রবাসে//বিএম ।

দুই কোম্পানির বোর্ড সভা বিকেলে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সভা সোমবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে ডিভিডেন্ডের ঘোষণা দিতে পারে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিগুলো হলো- প্রকৌশল খাতের কোম্পানি নাভানা সিএনজি লিমিটেড এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড।

নাভানা সিএনজি:
নাভানা সিএনজির বোর্ড সভা বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ মাসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটি ৩১ মার্চ ২০১৫ শেষে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৩.৫৪ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছিল ৩০.১৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছিল ১.৮২ টাকা।

ইউনাইটেড পাওয়ার:
ইউনাইটেড পাওয়ারের বোর্ড সভা বিকেল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত অর্থবছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৮ মাসের ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এ কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ শেষে ৩০ শতাংশ ক্যাশ ও ১০ শতাংশ স্টকসহ মোট ৪০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৮.৩০ টাকা, শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছিল ৩১.৯৪ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি কার্যকরী নগদ প্রবাহের পরিমাণ (এনওসিএফপিএস) হয়েছিল ৮.৯৯ টাকা।

পথে প্রবাসে//বিএম ।

সেপ্টেম্বর ১৯,২০১৬

চলতি বছরের আগস্টে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকা

চলতি অর্থবছরের (২০১৬-১৭) আগস্ট মাসে দেশের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে এ সময়ে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ২২ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ৫৩ শতাংশ রপ্তানি বেড়েছে।

২০১৫ সালের আগস্ট মাসে রপ্তানি আয় হয় ২২ হাজার কোটি টাকা। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের আগস্ট মাসে ১৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ রপ্তানি আয় বেড়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা তিন হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার বা দুই লাখ ৯২ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল তিন হাজার ৪২৫ কোটি ৭২ লাখ মার্কিন ডলার বা দুই লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৭ হাজার কোটি টাকা। রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৯ হাজার কোটি টাকা। এ সময়ে রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। আগের অর্থবছরে একই সময়ে রপ্তানির আয় হয় ৪২ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের চেয়ে এ সময়ে আয় বেড়েছে ৮ দশমিক ৪২ শতাংশ।

তৈরি পোশাক খাত থেকে জুলাই-আগস্ট সময়ে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে। এই খাত থেকে এ সময়ে রপ্তানি আয় হয় ৩৮ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা।

সুত্রঃ এনটিভি অনলাইন।

ইস্পাত খাতে সক্ষমতা বাড়ছে

স্থবিরতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইস্পাত খাত। এ খাতে নেতৃত্বদানকারী গ্রুপগুলো উৎপাদন-সক্ষমতা বাড়াচ্ছে। আবার রড নির্মাণে মধ্যবর্তী কাঁচামাল বিলেট উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা বাড়ছে। উদ্যোক্তারা বলছেন,বিস্তারিত…

ফ্যাশনেবল পোশাক তৈরিতে বাংলাদেশ পঞ্চম

ফ্যাশন সচেতন পোশাকের উৎস হিসেবে বৈশ্বিক সূচকে পাঁচ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন ফ্যাশন তৈরিতে বাংলাদেশ থেকেই ৭০ ভাগ পোশাক কিনে নিচ্ছেন বিদেশি ক্রেতারা। এ তথ্য প্রকাশ করেছে ইউএস ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এসোসিয়েশন। রানা প্লাজা দুর্ঘটনা কেটে যাওয়ার পর কারখানার কর্মপরিবেশ উন্নত হতে শুরু করায় ক্রেতাদের আস্থা বাড়ছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকেরা।

৫৬টি দেশের ফ্যাশন ডিজাইনার ও ক্রেতাদের মতামতের ভিত্তিতে করা ইউএস ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি এসোসিয়েশনের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ফ্যাশনেবল পোশাকের উৎস হিসেবে এখনও শীর্ষে চীন। এরপরই আছে ভিয়েতনাম, ভারত ও ইন্দোনেশিয়া। আর এবারই বাংলাদেশ উঠে এসেছে তালিকার পাঁচ নম্বরে। গেল বছর অবস্থান ছিলো ১০ম স্থানে।

রানা প্লাজা ধসের পর নেতিবাচক প্রচার ও সমালোচনার মুখে পড়ে দেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাত। তবে সরকার, মালিক ও বিদেশি ক্রেতাদের সংস্কার কর্মসূচির কারণে ভাবমূর্তি অনেকটাই ফিরেছে। আর এই তথ্যই উঠে এসেছে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্যাশন শিল্প সমিতির এক জরিপে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে আগামী দু’বছরে চীন থেকে ফ্যাশন সচেতন ক্রেতারা পোশাক কেনা কমিয়ে দেবেন। বিক্রি বাড়বে ভিয়েতনামের। আর এই সময়ে বাংলাদেশ থেকে কেনার হার বাড়বে ২২ দশমিক সাত ভাগ। বাড়তি চাহিদা মেটাতে দেশের উদ্যোক্তারাও প্রস্তুত।

সূত্রঃ আমার সংবাদ।

শিরোনাম